Ela nasceu para proteger todas as criaturas, e sua vida foi marcada por tristeza e sofrimento. Antes de crescer completamente, enfrentou inúmeras adversidades, mas, felizmente, encontrou aquela pessoa
আজকের দিনটি যেন ছিল একেবারে সাধারণ, শান্তিপূর্ণ। তবে, হঠাৎই একটি উল্কাপিণ্ড আছড়ে পড়ে সেই কষ্টার্জিত শান্তিকে ভেঙে দেয়। পৃথিবীর বাইরে, একটি উল্কাপিণ্ড যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করছিল, তখন অজানা কারণে সেটি চারটি ঝলমলে আলোকরেখায় বিভক্ত হয়ে দেবতার দেশ নামে পরিচিত রাষ্ট্রের একটি প্রদেশে পতিত হয়।
সেই প্রদেশে তখন বসন্তের গর্জন, আকাশ মেঘে ঢেকে আছে, প্রবল ঝড়বৃষ্টি, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, বজ্রগর্জন চলছে। উজ্জ্বল আলোকরেখার একটি যে স্থানে পতিত হয়, সেটি ছিল এক গভীর অরণ্যের মাঝে ঘাসে ঘেরা ছোট্ট একটি বাড়ির সামনে।
সেই সময়ে, ত্রিশের কোঠায় এক পুরুষ দরজা খুলে বাইরে এলেন। তার চুল যেন বহু বছর আঁচড়ানো হয়নি, শরীরে ঘন লোম, চোখের কোণে অশ্রুর দাগ, চেহারায় অগোছালো ভাব থাকলেও গায়ে ছিল সাদা জামা।
শিশুটিকে দেখেই তিনি প্রথমে চমকে উঠলেন, তারপর সন্দেহের সুরে বললেন, "এত ছোট একটা শিশুকে কে এখানে ফেলে গেল, এতটা নির্দয় কে হতে পারে?" তার চোখে ধরা পড়ল শিশুটির চোখদুটি। শিশুটির চোখের রঙ ছিল অদ্ভুত, যেন বেগুনি-কালো আর সাদা মিশ্রিত, যদিও দূর থেকে দেখলে সাধারণ কালো মনে হয়।
শিশুটি ছিল অপূর্ব সুন্দর, কাদামাটিতে ভরা মাটির ওপরেও শিশুটি খুবই নাজুক লাগছিল। কিছুক্ষণ কিংকর্তব্যবিমূঢ় থেকে পুরুষটি দ্রুত শিশুটিকে ঘরে নিয়ে গেলেন।
অন্তর্দৃষ্টি থেকে তিনি ক্যালেন্ডার দেখলেন—আজ ৪০৬৯ সালের ৬ই মার্চ। কিছু ভাবার পর তিনি প্রথমে তোয়ালে দিয়ে শিশুর শরীর মুছে নিলেন, সব ময়লা পরিষ্কার করে শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে গেলেন।
জলের শব্দে শিশুটির কান্না আরও জোরালো হয়ে উঠল। তিনি পানি গরম-ঠাণ্ডা করে দেখলেন। শেষে শিশুটি আর কান্না করল না, ধীরে ধীরে পুরুষটির নগ্ন বুকের উষ্ণতায় জড়িয়ে এলো।
তাড়াতাড়ি শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ল। পুরুষটি নিজের জামায় শিশুটিকে মুড়িয়ে শক্ত বিছানায় শুইয়ে দিলেন। তারপর কম্বল ধুয়ে এনে শিশুর প